(পর্ব ৩…)
৮. নারীবাদীরা যে একেবারেই তাদের বাচ্চাকাচ্চাদেরকে ছেড়েছুড়ে দিয়ে ক্যারিয়ার সামলাতে চলে যায়, তা না। কিছু নারীবাদী তাদের সন্তানকে লালন-পালনও করে। তারা তাদের সন্তানকে মানুষের মত ‘মানুষ’ করে গড়ে তোলে। তবে তাদের মানুষ করার পদ্ধতি একটু আলাদা।
বিখ্যাত একটি নারীবাদী পোর্টালে সন্তানকে মানুষ করার পদ্ধতি নিয়ে একটা লেখা পেলাম। সেখানে এক নারীবাদী দেখিয়েছেন, নারীবাদী চিন্তাধারাকে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ধরে কিভাবে সন্তানকে মানুষ বানানো যায়।
তার ভাষ্যমতে—
“এখন আমার ছেলের বয়স তিন বছর। আমি ওকে সব রঙ পরাই। গোলাপি, লাল, কমলা, বেগুনি সব। বরং চেষ্টা করি যেন নীল কিছু কিনতে না হয়। ‘ছেলেদের রঙ নীল’ এ কথা যেন ওর জীবনে প্রতিষ্ঠিত না হয়” [১০]
এই বক্তব্য শুনেই প্রাথমিক ধাক্কাটা খাই। ছেলেদের রঙ নীল মানে? ছেলেদের কোনটা নীল? চুল? চামড়া? মন? পছন্দ? ক্যামনে কী!!
তাছাড়া, একটা বাচ্চা কোন রঙ পছন্দ করবে, কোনটা পছন্দ করবে না, সেটা তার নিজের ব্যাপার। আপনারা, মানে নারীবাদীরা যে মানুষের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন; তাহলে নিজের ছেলের ক্ষেত্রে সামান্য একটা রঙ পছন্দ করার স্বাধীনতাও তাকে দিবেন না?
“আমার ছেলের বেশিরভাগ খেলনা উপহার পাওয়া। যেহেতু ও ছেলে, তাই কেউ ওকে হাড়িপাতিলের সেট কিনে দেয়না। কিন্তু আমি দিয়েছি। গোলাপি রঙের চমৎকার একটি হাড়িপাতিলের সেট। সেই সেট নিয়ে সে খেলা করে চুলার উপর হাড়ি বসিয়ে চামচ দিয়ে নেড়ে রান্না করে, মিছামিছি রান্না করা সেই খাবার বা চা আমাদের পরিবেশন করে। আমরাও মিছামিছি খেয়ে ওকে উৎসাহ দিই।”
“খেলনা পুতুলকে নিজের বেবী পরিচয় দেয় সে। তাদের ঘুম পাড়ায়, খাওয়ায়। আমরা কখনও বাধা দিই না। কারণ ও দেখেছে যে, ওকে ফিডার বানিয়ে খাওয়ায় ওর বাবা, ওকে ভাত খাওয়ায় ওর বাবা। তাই এসব ওর জন্য অস্বাভাবিক কিছু না।”
পুতুল নিয়ে খেলাধূলা আমরাও ছোটবেলায় করেছি। আমরাও মিছামিছি হাড়িপাতিল নিয়ে রান্না করতাম। কিন্তু আমাদের বাবা মায়েরা এভাবে আমাদের মধ্যে মাতৃসুলভ আচরণ ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেননি। তারা আমাদের খেলাধূলাকেও মেনে নিয়েছেন, পাশাপাশি পৌরুষ বৃদ্ধির কাজও করিয়েছেন।
আমাদের সাথে যারা খেলাধূলা করেছে, সবাই যে মানুষের মত মানুষ হতে পেরেছে, তা কিন্তু না। সুতরাং, এই নারীবাদী যখন ভেবে নিচ্ছে যে, ছেলে হয়ে হাড়িপাতিল-পুতুল নিয়ে খেললেই সে মানুষ হয়ে যাবে, এটা তার ইল্যুশন ছাড়া আর কিছুই না।
তিনি তার লেখার মধ্যে একাধিকবার উদ্ধৃত করেছেন— আমার ছেলেকে ‘পুরুষ’ নয়, মানুষ করে গড়ে তুলছি।
পুরুষ হলে মানুষ হওয়া যাবেনা কিংবা মানুষ হতে গেলে পুরুষত্বকে বিসর্জন দিতে হবে— এরকম কোনো মন-মানসিকতা নিয়ে উনারা ঘোরাফেরা করেন কিনা সেটাই এখন প্রশ্ন!
উনার লেখা পড়ে মনে হয়েছে, তুমি যদি মানুষ হতে চাও তবে তোমার আচরণে মেয়েলি আচরণও থাকতে হবে, পুরুষালি আচরণও থাকতে হবে। মানে, কিছুটা ট্রান্সজেন্ডার টাইপের।
অথচ, একটা ছেলের সাইকোলজি, এবং একটা মেয়ের সাইকোলজি সম্পূর্ণ আলাদা। ছেলে এবং মেয়ের মেন্টাল গ্রোথ-ও ভিন্ন ধাঁচের। ছেলেকে ছেলেদের মত আর মেয়েকে মেয়েদের মত করে বেড়ে ওঠার সুযোগ না দিয়ে একের মধ্যে অন্যের সন্নিবেশ ঘটাতে গেলে শরীরের সাথে মানসিক অবস্থার অসামঞ্জস্য দেখা দেওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।
তাছাড়া, পুরুষের মত করে বেড়ে উঠলেও কিন্ত ‘মানুষ’ হওয়া যায়। মানুষ বানানোর জন্য পুতুল-হাড়িপাতিল নিয়ে খেলাধূলা করানোটা কোনো বিজ্ঞানভিত্তিক বা যুক্তিসম্মত পদ্ধতি নয়। মানুষ হওয়ার জন্য দরকার মনুষ্যত্ব। আর মনুষ্যত্ব অর্জনের জন্য চাই সুশিক্ষা এবং তার যথোপযুক্ত প্রয়োগ।
আশপাশের কিশোরদের আচরণ, বাচনভঙ্গি, চলনবলন দেখে তিনি বলেছেন, “এইটুকু এইটুকু ছেলেদের মধ্যে আমি যে প্রবল পৌরুষ দেখেছি, তাতে রীতিমত আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়ি আমি। বারবার এটা ভেবে বিচলিত হই যে, সমাজের পুরুষদের জন্য যে সুবিধা ছড়ানো আছে, তার ভেতর আমার সন্তানটিকে আমি মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো তো?”
এই যে, এই বক্তব্য! এটা দিয়েই বুঝা যায় যে, পুরুষ হলে কেউ মানুষ হতে পারবে না।
এরকম আরও অনেক হাস্যকর কথাবার্তা তিনি লিখেছেন। তিনি এটাও স্বীকার করেছেন যে তিনি নিজে রুটি বানাতে পারেন না। তাই ছেলেকে বুয়ার কাছে বসিয়ে দেন, রুটি বানানো শেখান; ছেলে তাকে রুটি বানিয়ে খাওয়াবে। তিনি দামড়া হয়ে রুটি বানানো শিখতে না পারলেও বাচ্চাটাকে তা শেখাচ্ছেন। ব্যাপারটা মন্দ না!
একটা ছবিতে দেখলাম, বাচ্চাটার মুখে মেকাপ দিয়ে, মাথায় ফুল গুঁজে রেখেছে। এইসব ছেলেপেলেরাই আর কয়েক বছর পর বায়না ধরবে, “আম্মু আমার পিরিয়ড হয়না কেন, আমার পিরিয়ড এনে দাও, এক্ষুনি দাও!!”
এদেরকে বাইরে থেকে দেখলে ছেলে-ই মনে হবে, কিন্তু এদের মন-মানসিকতা থাকে মেয়েলি, কারণ এদেরকে ওইভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে। এরা সাংসারিক কাজকর্ম শিখবে ঠিকই, কিন্তু বাহ্যিক পুরুষালি কাজকর্ম করতে পারবে না। ভারী কাজকর্ম করতে বললে এরা দৌড়ে পালাবে, “উফফ নো! এগুলো আমি পারব না, আমাকে ছেড়ে দাও!”
আল্লামা মামুনুল হকের একটা বয়ানে বাঘ আর ছাগল নিয়ে একটা গল্প শুনেছিলাম। এক কৃষক ছাগল চরাচ্ছিলেন, এমন সময় কুত্থেকে বাঘের ছোট্ট একটা বাচ্চা চলে এলো। সে ভাবলো, বাচ্চা তো! নিয়ে যাই।
তারপর সে বাঘের বাচ্চাটাকে নিয়ে ছাগলের বাচ্চার সাথে রেখে পালতে লাগলো। ছাগলের বাচ্চার যখন একটু একটু শিং উঠতে শুরু করে, তখন সে যারে পায় তারেই গুতানি দেয়। তো, বাঘ আর ছাগল যেহেতু একসাথে থাকে, বাঘের গায়েও দুই একটা গুতানি লাগে। এতে বাঘের রাগ হয়, সেও গুতানি দিতে যায়। কিন্তু তার তো শিং নেই। গুতাতে গেলে সে নিজেই উল্টা ব্যাথা পায়। এই নিয়ে তার মনে খুব কষ্ট, সে শুধু গুতানি খেয়েই গেল, গুতাতে পারলো না।
অথচ বাঘ হিসেবে তার কেমন আচরণ করা উচিত এটা সে জানেই না। সে এক হুঙ্কার দিলেই যে ছাগলের বাচ্চা তার বাপ-দাদা নিয়ে দৌড়ানি দিবে, এই ‘বোধ’ তার মধ্যে নেই। কেন নেই? কারণ তাকে বড় করা হয়েছে ছাগলের মত করে। সে বাঘের সাথে ঘুরার সুযোগ পায়নি, তাই বাঘসুলভ আচরণের বদলে তার মধ্যে শোভা পেয়েছে ছাগুসুলভ আচরণ।
ঠিক তেমনি, ছেলেকে ছেলের মত বাড়তে না দিলে তার মধ্যেও শোভা পাবে নারীসুলভ আচরণ। তার রুচি, চেতনা, অনুভূতি সবকিছুর মধ্যে মেয়েলিপনা সুস্পষ্ট হয়ে উঠবে।
যাইহোক! প্যারেন্টিংয়ের জন্য কেউ কোনো নারীবাদীকে ফলো না করলেই হলো। অ্যাটলিস্ট কিছু ছেলে ট্রান্সজেন্ডার হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।
৯. কাক একবার ময়ূরের মত নাচ শিখতে গিয়ে নিজেই হাটা ভুলে গিয়েছিল। বর্তমানে গোঁড়া নারীবাদীদের অবস্থা হয়েছে সেরকম।
এরা মনে করে, নারী হয়ে জন্মানোটা তার অন্যায় হয়ে গেছে। কিংবা নারী হয়েছে বলে সে তার ‘প্রাপ্য’ অধিকার পাবে না। তাই এরা পুরুষের বেশ ধরতে যায়। এরা ভাবে, বেশভূষায় পুরুষের অনুকরণ করলেই বুঝি তাদের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা সহজ হয়ে যাবে।
এজন্য এরা কী করে? ছেলেদের প্যান্ট, জামা, টিশার্ট এগুলো পরে বাহ্যিকভাবে পুরুষ সাজতে যায়। অধিকাংশ নারীবাদী মাথার চুল ছোট রাখে, ছেলেদের মত। তারা মনে করে, মাথার চুল বড় হয়ে গেলে তাকে মেয়েমেয়ে মনে হবে, কিন্তু তা তো হতে দেওয়া যাবে না। তাকে হতে হবে পুরুষ! তারা নিজের ভেতর থেকে নারীত্বকে ছুড়ে ফেলে দিতে চায়। এজন্যই বলি— নারীবাদ মানে নারী থেকে নারীত্বকে বাদ দেওয়া।
হাদীসে বর্ণিত তিন ক্যাটেগরীর মানুষ যারা জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না, তাদের মধ্যে এক ক্যাটেগরী হলো তারা যারে অপর লিঙ্গের বেশভূষা ধারণ করে। সে ছেলে হয়ে মেয়ের বেশভূষা হোক বা মেয়ে হয়ে ছেলের।
কিন্তু এদেরকে এগুলো বুঝাতে গেলে এরা বলবে—
ইট’স মাই চয়েজ!
মাই বডি, মাই চয়েজ!
১০. নারীবাদ হলো হিপোক্রিসির ডিব্বা।
যখন কোথাও নারী ধ্বর্ষণের খবর পাওয়া যায় তখন এরা বিচ্ছুর মত কামড়াতে ছুতে আসে। কিন্তু কোথাও নারী কর্তৃক পুরুষের হয়রানীর স্বীকার হওয়ার ঘটনা ঘটলে এরা হয় গর্তবাসী। মোস্ট রিসেন্টলি একটা ঘটনা ঘটেছে। এক মেয়ে একজন বৃদ্ধার উপর নির্যাতন করছিল। একটা লোক সেটার প্রতিবাদ করতে যায়। এতে মেয়েটা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ফলে ওই মেয়ে কী করলো, সেই লোকটার অণ্ডকোষ চেপে ধরলো, এবং তৎক্ষণাৎ লোকটির মৃত্যু হল। [১১]
এই ঘটনা নিয়েও অনেক নারীবাদীকে উল্লাস করতে দেখা গেছে। (ছবি কমেন্টে)
পুরুষ বিদ্বেষ বর্তমানে এত প্রবল হয়ে উঠেছে যে, পুরুষদেরকে দুনিয়া থেকে একেবারে ‘নাই’ করে দিতে পারলেই নারীবাদীদের শান্তি। সম্প্রতি হ্যাশট্যাগ দিয়ে ‘kill_all_men’ লিখে নারীবাদীদের এমন অনেক প্রচারণাই দেখা যাচ্ছে। এক মহিলা প্রেগন্যান্ট হওয়ার পর স্ক্যান করতে যাওয়ার আগে বলছে- এটা মেয়ে নাকি অ্যাবোরশন সেটা জানতে যাচ্ছি। বোঝেন অবস্থা! আরবের আইয়্যামে জাহিলিয়্যাতে মেয়ে হলেই মাটিতে পুতে ফেলা হত, আর একুশ শতকের জাহিলিয়্যাতে গর্ভের বাচ্চাটা ছেলে, এটুকু জানতে পারলেই হচ্ছে; জন্ম পর্যন্ত যাওয়া লাগবে না, তার আগেই টয়লেটে ফ্ল্যাশ মেরে দেওয়া হচ্ছে। (ছবি কমেন্টে)
অশ্লীল পোষাক পরার বিরোধীতা করলে এদের বক্তব্যঃ
— মেয়েরা যা খুশি তাই পরে হাটবে
— মেয়েদের স্বাধীনতা আছে
— তাদের অধিকার আছে
— তারা যা ইচ্ছা তাই পরিধান করে হাটবে, তুমি বিচার করার কে?
— মেয়েটার খুশি হয়েছে তাই এমন পোষাক পরেছে, তোমার না তাকালেও চলবে।
অথচ কাউকে বোরকা-নিকাব পরতে দেখলে এদের বক্তব্যঃ
— আরেহ দ্যাখো, মেয়েটা কী পরেছে, মুখটাও দেখা যায়না
— পুরাই তো আলখাল্লা
— খোঁজ নিয়ে দেখ কোনো দলের সাথে যোগ দিয়েছে মনে হয়
— বিয়ের অনুষ্ঠানে কেউ বোরকা পরে? আবার মুখও ঢেকে রেখেছে।
— পুরাই আনস্মার্ট, ক্ষ্যাত!
আজ্ঞে হ্যাঁ, তারা নারী-স্বাধীনতায় বিশ্বাসী! নারী (পর্দা বাদে) যাখুশি পরবে।
কিছুদিন আগে একটা ঘটনা ভাইরাল হয়েছিল। নারী অধিকার ও নারী মুক্তির অগ্রদূত অ্যানি কর্তৃক নিজ গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনাটা। অনেকেই দেখেছেন হয়ত।
এদের আচরণটা এরকমই। এরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে বলবে— নারী নির্যাতন বন্ধ করো, নারীর অধিকার দিতেই হবে, নারীকে ঘরে বন্দী রাখা চলবে নাআআ চলবে না!!
অথচ এই এরাই ঘরের গৃহকর্মী নারীদেরকে অত্যাচার-নির্যাতন করে। এরাই অধিনস্ত নারীদেরকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
এই ঘটনা সুস্পষ্ট করে বলে দেয়, নারীবাদীরা নারীর অধিকার আদায়ের জন্য আদৌ কাজ করে না। তারা নারীদেরকে ব্যাবহার করে কেবলই স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য।
কোথাও নারী নির্যাতিত হলে এদেরকে সরকারের কাছে বিচারের দাবী জানাতে দেখা যায়না, দেখা যায় শাহবাগে জড় হয়ে ব্যানার হাতে নিয়ে পুরুষ-বিদ্বেষ ছড়াতে। এরা মূলত নারী নির্যাতনের বিচার চায় না, এরা চায় নারীদের মনে পুরুষের প্রতি ঘৃণার বীজ বুনতে যেন নারীরা সহজেই ঘর ছেড়ে বাইরে চলে আসে। এতে তাদের লাভ হলো- যত বেশি নারী ঘর ছেড়ে রাস্তায় আসবে, তত বেশি নারী লিপ্ত হতে পারবে তাদের আব্বা ‘কর্পোরেটোক্রেসির’ গোলামিতে। কর্পোরেটোক্রেসি যে ফেমিনিস্টদের দ্বারা নারীদেরকে ভুলিয়েভালিয়ে রাস্তায় এনে তাদেরকে দিয়ে কামলা খাটিয়ে নিজের পকেট ভর্তি করে নিতে চায়, এটা তার আরেকটা প্রমাণ।
সত্যিই যদি নারীর অধিকার আদায়ের লক্ষ্য নারীবাদীদের থাকতো তাহলে এরা আন্দোলন করে নারী নির্যাতকের বিচার কার্যকর করাতে পারতো, আন্দোলন করে ডজনখানেক ধ্বর্ষককেও ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলাতে পারতো। কিন্তু না, এদেরকে এসব করতে দেখা যায়না। এরা কী করে? কোথাও ধ্বর্ষণের খবর শুনলে এরা জনকতক একটা ব্যানার নিয়ে জড়ো হবে শাহবাগে, তারপর পুরুষবিদ্বেষ ছড়াতে থাকবে। এদের সীমাহীন ডাবলস্ট্যান্ডার্ড লিখে শেষ করা অসম্ভব।
(চলবে……)
.
[১০] http://feministfactor.com/1427/
[১১] https://tinyurl.com/yaujvrnk
লেখকঃ Ruhul Kabir






